কোরিয়ান ভাষা ও কুরিয়ান ভিসার সকল তথ্য

5
(3)

আমাদের বাংলাদেশের অনেক ভাইয়েরা কুরিয়ার দিকে প্রবাস যাপনে অগ্রসর হওয়ার জন্য সব সময় প্রস্তুত থাকেন। কোরিয়া এমন একটি দেশ যাহা পূর্ব এশীয় ভাষা দের মধ্যে অন্যতম একটি কোরিয়ান ভাষা। এই দুটি দেশ দুই ভাগে বিভক্ত। সেটি হল

  • উত্তর কোরিয়া
  • দক্ষিণ কোরিয়া

তবে দুই কোরিয়ার ভাষা হল কোরিয়ান ভাষা। দক্ষিণ কোরিয়ান ভাষীর সংখ্যা ৪.৮ কোটি এবং উত্তর কোরিয়ার টু পয়েন্ট ফোর কোটি। যাই হোক না কেন আজকে আমি আপনাদেরকে জানাবো দক্ষিণ কোরিয়ার ভাষা, উত্তর কোরিয়ার ভাষা, বা কোরিয়ান ভাষা সম্পর্কে। কোরিয়া কিভাবে যাওয়া যায় এবং এই ভাষা কিভাবে শেখা যায়। কোথায় শিখবেন এই ভাষা সবকিছু নিয়ে বিস্তারিত আজকের এই পোস্ট আশা করি মনোযোগ দিয়ে পড়বেন। তাহলে চলুন শুরু করা যাক।

কোথায় শিখবেন কোরিয়ান ভাষা

ঢাকা শহর সহ বিভিন্ন জায়গায় কোরিয়ান ভাষা শেখানো হয়। এই ভাষায় শিক্ষার্থীদের মোট চারটি কোর্স করার সুযোগ দেয় ও সার্টিফিকেট দিয়ে থাকে। সেই চারটি কোর্স হল

  • জুনিয়র সার্টিফিকেট
  • সিনিয়র সার্টিফিকেট
  • ডিপ্লোমা সার্টিফিকেট
  • উচ্চ ডিপ্লোমা সার্টিফিকেট

যার প্রতিটি কোর্সের মেয়াদ থাকে ১ বছর করে। উপরক্ত যে কোন কোর্স এ ভর্তি হয়ে আপনি সমপূর্ণ কোর্স করে সার্টিফিকেট নিতে পারবেন। যেগুলো সরকারি ও বে-সরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান দিয়ে থাকে। এটি শুরু হয় জুলাই মাসে।

কিভাবে শিখবেন কোরিয়ান ভাষা

আসলে আপনি যতটুক মনে করেন যে কোরিয়ান ভাষা অনেক কঠিন। বাস্তবে তা কিন্তু নয়। কোরিয়ান ভাষা অনেক সহজ একটি ভাষা। মাথা খাটিয়ে সবকিছু করলে অল্প কিছুদিনের মধ্যেই এই ভাষা আয়ত্তে আনতে পারবেন। তবে এই ভাষা আপনি কিভাবে শিক্ষা অর্জন করতে পারেন বা শিখতে পারেন

  • কোরিয়ান ভাষা ট্রেনিং সেন্টার থেকে বা
  • ইনস্টিটিউট এর মাধ্যমে
  • কোরিয়ান ভাষা শিক্ষার বই দিয়ে
  • অনলাইনে কোরিয়ান ভাষা শিক্ষা কোর্স

কুরিয়ান ভাষা ট্রেনিং সেন্টার

সরকারের পক্ষ থেকে কোরিয়ান ভাষা শিক্ষার জন্য অনেক প্রতিষ্ঠান বা বিশ্ববিদ্যালয় কাজ করে। তবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এবং কোরিয়া টেকনিক্যাল ট্রেনিং সেন্টার সবচেয়ে ভাল প্রতিষ্ঠান। আমি আপনাকে সাজেস্ট করবো এই দুটি প্রতিষ্ঠানে ভর্তি হয়ে আপনি কোরিয়ার ভাষা শিখুন। তবে এখানে পড়তে হলে অবশ্যই অনেক নিয়ম মেনে চলতে হবে।

বাংলাদেশ কোরিয়া টেকনিক্যাল ট্রেনিং সেন্টার

বাংলাদেশ সরকারের সহযোগিতায় বাংলাদেশ-কোরিয়া ট্রেনিং সেন্টারে কুরিয়ার ভাষার কোর্স পরিচালনা করে আসছে। যা আপনি দেখতে পারবেন মিরপুরের দারুস সালাম রোড ঢাকা অবস্থিত। এখানে আপনাকে কুরিয়ান প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঠ্যক্রম অনুযায়ী পড়ানো হবে। এই প্রতিষ্ঠানের সকল শিক্ষক KUT/JOCV/JICA/LO/KOICA থেকে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত। আপনি এখান থেকে কোরিয়ান ভাষা শিখুন কারণ এখান থেকে আপনাকে অনেক কিছু ভালো কোরিয়ান ভাষা শিক্ষা দিবে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কোরিয়ান ভাষা শিখুন

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে একটি ইউনিট আছে আধুনিক ভাষা ইনস্টিটিউট এর আওতায়। এটি সাধারণ ৪ কি সার্টিফিকেট প্রদান করে থাকে। যাহা উপরে আপনি দেখেছেন এই সার্টিফিকেটগুলো।
তবে এখানে বলে রাখা ভালো যে আপনি যদি জুনিয়ার সার্টিফিকেট কোর্স না করে বাকি উচ্চতর ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার কোর্সে ভর্তি হন তাহলে একদমই করা যাবে না।
তবে আপনি যদি অন্য কোন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে জুনিয়র প্রশ্ন করে থাকেন তাহলে এই সার্টিফিকেট দেখিয়ে ভর্তি হতে পারবেন।

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে কোরিয়ান ভাষা শিখুন

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় পাঁচ মাস মেয়াদে কোরিয়ান ভাষা শিক্ষা দিয়ে থাকে। যার কেলাস সংখ্যা ৬০ ঘন্টার হয়। এখানে আপনি খুব সহজে কোরিয়ান ভাষা শিখতে পারেন। তবে অবশ্যই আপনার যোগ্যতা ইন্টারমিডিয়েট পাশ হতে হবে। এর আসন খুব সীমিত হয় মাত্র ৪০ আসন সংখ্যা বিশিষ্ট। এখানে প্রতি বছর ০১ জুলাই থেকে ৩০ শে জুলাই পর্যন্ত ভর্তি নেওয়া হয়।

ব্রাক বিশ্ববিদ্যালয়ের কোরিয়ান ভাষা শিখুন

আপনি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয় থেকেও শিক্ষালাভ করতে পারেন। এই বিশ্ববিদ্যালয়ের পূর্তি কোর্স ২ মাস মেয়াদী করে থাকে। যার ন্যূনতম শিক্ষাগত যোগ্যতা লাগে ইন্টারমিডিয়েট পাশ।

এছাড়াও এই কোরিয়ান ভাষা শিক্ষা নিয়ে বিভিন্ন ট্রেনিং সেন্টার আছে। সেই ট্রেনিং সেন্টার গুলো শুধু কোরিয়ান ভাষা শিক্ষায় না ও অনেক দেশের ভাষা শিক্ষায়। আপনি খুজলেই ধরনের অনেক প্রতিষ্ঠান পেয়ে যাবেন।

কোরিয়ান ভাষার অক্ষর

অনলাইনে কোরিয়ান ভাষার কোর্স

বর্তমানে ইন্টারনেটের যুগ ঘরে বসেই এমন কিছু তথ্য নাই যে পাওয়া যায় না। আপনি যদি মনে করেন কোন ট্রেনিং সেন্টার থেকে এই ভাষা শিখবেন না তাহলে আপনি অনলাইন কোরিয়ান ভাষা ট্রেনিং সেন্টার থেকে ঘরে বসেই এই কোরিয়ান ভাষা শিখতে পারেন। এর জন্য আপনাকে ঘাটতে হবে ইউটিউব এবং ভাষা শিক্ষার কোন ব্লগ সাইট বা ওয়েবসাইট। গুগোল এ সার্চ করলে অনেক ওয়েবসাইট পাবেন। এছাড়া ইউটিউবে সার্চ করলে আপনি অনেক চ্যানেল পাবেন যারা কোরিয়ান ভাষা ফ্রিতে শিক্ষায়।

কোরিয়ান ভাষা শিক্ষার বই থেকে ভাষা শিখুন
আপনি বিভিন্ন লাইব্রারি অথবা ফুটপাতের অনেক জায়গা থেকে ভাষা শিক্ষার বই পাবেন। যার দাম একেবারে খুব বেশি না। আপনি এখান থেকে এই বইগুলি পড়ে বাড়িতে বসেই বইগুলো পড়ে পড়ে কোরিয়ান ভাষা শিক্ষা করতে পারেন। এই বইগুলোর মধ্যে অন্যতম বই হলো

  • ৩০ দিনে আধুনিক পদ্ধতিতে কোরিয়ান ভাষা শিখুন
  • সহজে কোরিয়ান ভাষা শিক্ষার বই
  • ৩০ দিনে কোরিয়ান কোর্স করুন
  • সহজ কোরিয়ার ভাষা শিখুন
  • বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে কুরিয়ার ভাষা শিখুন

কিভাবে আপনি খুব অল্প সময়ে কোরিয়ান ভাষা শিখবেন

আপনি যদি খুব অল্প সময়ে কোরিয়ান ভাষা শিখতে চান তাহলে আপনি নিচের পদ্ধতিগুলো জেনে রাখবেন। কারণ আপনি যদি অন্য পদ্ধতিতে কোরিয়ান ভাষা,শিখেন, তাহলে একদিকে যেমন আপনার সময় ব্যয় হবে, অপরদিকে তেমন প্রয়োজনীয় জিনিসগুলো শিখতে পারবেন না। তবে আপনি নিজের লেখার পদ্ধতি অবলম্বন করে থাকেন তাহলে আপনি খুব অল্পসময়ে কোরিয়ান ভাষা শিখতে পারবেন।

কোরিয়ান বর্ণমালা শিক্ষা

প্রথমে আপনাকে কোরিয়ান বর্ণমালা ভালোভাবে চিনতে হবে এবং শিখতে হবে খুব মনোযোগ দিয়ে। অনেকে মনে করে যে কোরিয়ান ভাষা অনেক কঠিন আসলেই তাই একদম সঠিক নয়। আপনি যদি কোরিয়ান বর্ণমালা ভালোভাবে চিনেন, তাহলে আপনি সহজেই এই ভাষা শিখতে পারবেন। এই ভাষা ইংলিশ ভাষা চেয়েও অনেক সহজ।

কোরিয়ান শব্দার্থ শিখুন

যেকোনো ভাষার এই নিজস্ব শব্দার্থ রয়েছে। তেমনি ভাবে কোরিয়ান ভাষার শব্দ অর্থ রয়েছে। আপনাকে কুরিয়ান শব্দগুলোর সাধারণভাবে শব্দার্থ শিখতে হবে। আমরা নিত্যনতুন বা প্রয়োজনীয় ভাষাগুলোর শব্দার্থ আগে শেখার চেষ্টা করব। এবং যে শব্দগুলো বেশি ব্যবহার হয় সেই শব্দগুলোর শব্দার্থ আগে শেখার চেষ্টা করুন। এই বাক্যগুলো কোরিয়ার ভাষা কিভাবে বলা হয় সেটা জানতে হবে। অবশ্যই আপনাকে প্রথমে শহর শব্দের অর্থ দিয়ে শুরু করতে হবে। আপনি যদি কোরিয়ান ভাষার মধ্যে আগে জটিল ভাষাগুলো ব্যবহার করা শব্দার্থ জানতে চান, তাহলে আপনার একসাথে এতগুলো বিষয় মনে রাখা সম্ভব হবে না। আমরা প্রতিদিন যে শব্দগুলো বেশি ব্যবহার করে থাকে সেই শব্দগুলো আপনি আগে শিখতে থাকুন। যেমন ধরুনঃ আমার মোবাইলের চার্জ শেষ, আমার ফোনটি দাও, আমাকে খাবার দাও, আপনাদের মেনু তালিকা দিয়েন, আপনার রেস্টুরেন্টের কি কি খাবার আছে, চায়ের বিল কত ইত্যাদি ইত্যাদি।

কুরিয়ান সংখ্যাবাচক শব্দ শিখুন

কোরিয়ান সংখ্যা বাচক শব্দ বলতে বোঝায় যেটি গণনার কাজে ব্যবহার করতে হয়। যেমন আমাদের সংখ্যাবাচক শব্দ হল: ১,২,৩,৪,৫,৬,৭,৮,৯,০। এই সংখ্যাবাচক শিক্ষা গ্রহণ করলে আপনি কুরিয়ার দেশে হিসাব-নিকাশ করতে অনেক অনেক সহজে করতে পারবেন। যা আপনাকে প্রত্যেক গণনার কাজে সাহায্য করবে।

কোরিয়ান ব্যাকরণ শিখুন

আপনি শুধু কোরিয়ার ভাষা বা গণনা শিক্ষা অর্জন করলেই হবে না। আপনাকে কুরিয়ার ভাষার ব্যাকরণ শিখতে হবে। বিভিন্ন দেশের ভাষার ব্যাকরণ বিভিন্ন রকম । ঠিক তেমনি কোরিয়ান ভাষার ব্যাকরণ ভিন্নরকম। এই কোরিয়ান ভাষার ব্যাকরণ শিখতে পারলে আপনি সহজেই সাথে সব ধরনের কথা আদান-প্রদান করতে পারবেন। এছাড়াও এটি ভদ্রতার মর্মে চলে যায়। তা না হলে আপনি যে কথা বলতেছেন তার হিতে বিপরীত হতে পারে। যেমন ধরুনঃ ইংরেজিতে You বললেই বোঝা যায় আপনি, তুমি, তুই, যা আছে সব বুঝায়। কিন্তু বিভিন্ন ভাষার ব্যাকরণ যদি আপনি না জানতে পারেন তাহলে আপনি শব্দ ব্যবহার করলেও ভাষার প্রকাশ ঠিকমতো করতে পারবেন না। তাই কোরিয়ান ভাষার ব্যাকরণ যান আপনার জন্য খুব গুরুত্ব বিষয়।

কুরিয়ান বহুল আলোচিত ভাষাগুলো শিখুন

বহুল আলোচনা বা আলোচিত বিষয় ভাষা বলতে বুঝাতে চাচ্ছেন যে_ আমরা সচরাচর যে ভাষা গুলো সবসময় ব্যবহার করে থাকি সেই ভাষাগুলো আপনি বেশি বেশি মুখস্ত করুন বাঁশিতে থাকুন। এতে করে আপনার ভাষা যেমন শিক্ষা বেশি লাভ হবে ঠিক তেমনি আপনি বলতে পারবেন ভাল । এগুলো হতে পারে আপনার যে প্রতিদিনের যে কথাগুলো বেশি বলি, সেই কথাগুলোই।

কোরিয়ান ভাষায় কথা বলার চেষ্টা করুন

এই কাজটি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় কারণ, আপনি যখন ভাষা বলবেন আশা তখন যেন আপনার মধ্যে কোন ধরনের জ্বরতা না থাকে। পারলে আপনি আপনার কাছের এমন একজনের সাথে কথা বলুন যিনি কোরিয়ান ভাষা জানে। আপনি যদি এমন কাউকে না পান, আপনি কোরিয়ান ভাষার অ্যাপস থেকে ভয়েস রেকর্ড এর মাধ্যমে এই ভাষা বলতে থাকুন। আর যদি সেটাও করতে না পারেন তাহলে আপনি আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে কোরিয়ান ভাষা দিয়ে আপনি নিজেকেই প্রশ্ন করুন এবং নিজের উত্তর নিজেই প্রদান করুন।

কুরিয়ান ভিসা

আপনিতো উপরে কোরিয়ান ভাষা সম্বন্ধে সব কিছুই জানলেন করলেন এবং কুরিয়ান ভাষায় একবারে শিখলেন। এবার তাহলে আপনাকে ভিসার জন্য আবেদন করা হোক। আগেই বলে রাখা ভাল দক্ষিণ কোরিয়া হল সর্বোত্তম উন্নত প্রযুক্তির দেশ। এই দেশে সব কাজ করা হয় অনলাইনের মাধ্যমে। আর এখানে সবজায়গায় ব্যবহার করা হয় এটিএম কার্ড। ফলে আপনাকে এখানে নগদ অর্থ বহন করতে হয় না। তাই এদেশের চুরি-ডাকাতি ইভটিজিং ধর্ষণ খুব কম পেয়ে থাকবেন। এই দেশে সবাই নুনুও নিয়ম-নীতি মেনে চলার অভ্যাস নারী-পুরুষ সবার জন্য সমান। এখানে আপনি পাবেন উন্নত নাগরিক সুবিধা, গণতন্ত্রের চর্চা, সব ধরনের গণমাধ্যমের স্বাধীনতা, নিরাপদ পরিবহনব্যবস্থা, উন্নত জীবন ব্যবস্থা, সহ সবকিছু। তাই এসব কারণে দক্ষিণ কোরিয়া বসবাসের জন্য অনেক উপযোগী একটি দেশ। আজকে আমরা এখানে বলব দক্ষিণ কোরিয়া কি কি ভিসা প্রদান করে থাকে এবং কিভাবে পাবেন।

দক্ষিণ কোরিয়া বাংলাদেশীদের জন্য চার ধরনের ভিসা দিয়ে থাকে

  • ভিজিট ভিসা
  • বিজনেস ভিসা
  • স্টুডেন্ট ভিসা
  • ই9 ইপিএস ভিসা

এই চারটি বিষয় সাধারণত বাংলাদেশ দূতাবাস দক্ষিণ কোরিয়া যাওয়ার জন্য দিয়ে থাকে। এর জন্য আপনাকে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র নিতে হবে সেই কাগজপত্রগুলো হলঃ

  • ভিসার জন্য নির্ধারিত আবেদন পত্র
  • পাসপোর্ট সাইজের এক কপি ছবি
  • পাসপোর্ট যার মেয়াদ 6 মাস থাকতে হবে
  • বৈধ পাসপোর্ট এর প্রথম পাঁচ পাতার ফটোকপি
  • কন্সুলার বরাবর আবেদনপত্র
  • ব্যাংক স্টেটমেন্ট
  • ব্যাংক সলভেন্সি সার্টিফিকেট
  • এয়ার টিকেট বুকিং স্লিপ

আপনাকে অবশ্যই এই ফর্ম গুলো ইংরেজি বড় হাতের অক্ষরে পূরণ করে জমা দিতে হবে।

টুরিস্ট ভিসার জন্য আবেদন

আপনি যদি দক্ষিণ কোরিয়া টুরিস্ট হিসেবে যেতে চান তাহলে অবশ্যই আপনাকে টুরিস্ট ভিসার আবেদন করে যেতে হবে। আর এই আবেদন করার জন্য যা যা লাগবে তা নিম্নে বর্ণনা করা হলোঃ

  • আমন্ত্রণ পত্র এবং কুরিয়ান সাপোর্ট সার্টিফিকেট ( যদি থাকে)
  • আবেদনকারীর প্রতিষ্ঠান থেকে কাজের নিয়োগের এম্প্লয়মেন্ট সার্টিফিকেট (যদি থাকে)
  • আবেদনকারীর ইনকাম ট্যাক্স সার্টিফিকেট
  • আবেদনকারীর প্রতিষ্ঠানের বাণিজ্যিক সনদপত্র অথবা ট্রেড লাইসেন্স ( যদি থাকে)
  • ব্যক্তিগত অথবা প্রতিষ্ঠান ব্যাংক স্টেটমেন্ট সর্বশেষ ৬ মাসের।
  • হোটেল বুকিং স্লিপ
  • আপনি যেখানে থাকবেন তা ঠিকানা
  • যেখানে থাকবেন তারপর প্রমানপত্র
  • বিমান টিকেটের বুকিং স্লিপ
  • কুরিয়ান ভ্রমণ ভিসা পরিকল্পনা
  • ভিসা রিকোয়েস্টিং লেটার

স্টুডেন্ট ভিসার জন্য আবেদন

আপনি যদি কোরিয়ায় স্টুডেন্ট হিসাবে যেতে চান তাহলে অবশ্যই আপনাকে স্টুডেন্ট ভিসার আবেদন করে কোরিয়া যেতে হবে। এই ভিসার জন্য আপনাকে যা করতে হবেঃ

  • ১৫ মাসের মেয়াদ সহ পাসপোর্ট
  • পাসপোর্ট এর প্রথম পাঁচ পাতার ফটোকপি
  • সদ্য তোলা পাসপোর্ট সাইজের ছবি
  • আবেদন ফরম
  • ভিসার জন্য আবেদনকারীর নিজ হাতে লেখা আবেদন পত্র
  • ভর্তিকৃত বিশ্ববিদ্যালয় বা প্রতিষ্ঠান কর্তৃক প্রদত্ত ভর্তির সার্টিফিকেট
  • আবেদনকারীর জাতীয় পত্রের মূল কপি ফটোকপি
  • আবেদনকারীর জন্ম নিবন্ধন

এখানে বলে রাখা ভালো এই ভিসা নিয়ে অনেক ঝামেলা করতে সচিবালয়ের কোন কাউন্টারে বার্থ সার্টিফিকেট জমা নেওয়া হয় না। আপনাকে আগে থেকেই অন্য কোনভাবে কাউন্টার পাস নিয়ে গিয়ে সত্যায়িত করতে হবে। এইজন্য এর সাথে নোটারি সার্টিফিকেট নিয়ে গেলে অনেক ভালো হবে। নোটারি সার্টিফিকেট হল সিটি কর্পোরেশন থেকে দেওয়া ফ্যামিলি রিলেশন সার্টিফিকেট বা একাডেমিক অন্যান্য খরচ করা যাবে এই মর্মে একটি সার্টিফিকেট।

মাতা-পিতার সম্মতিপত্র। ( ৫০ টাকার স্ট্যাম্পে) মাতাপিতা বাংলাদেশি পরিচয় পত্র পাসপোর্ট এর ফটোকপি। পুলিশ ভেরিফিকেশন সার্টিফিকেট। হত সকল সনদের এর মূলকপি ও ফটোকপি নোটারি করে তে হবে। এটি আপনি প্রথমে শিক্ষামন্ত্রণালয়ে জমা দিবেন। তলায় থেকে সত্যায়িত কপি নিয়ে আবার পরাষ্ট্রমন্ত্রনালয়ো সত্যায়িত করতে হবে।

আপনি যখন শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সব সার্টিফিকেট নিয়ে জমা দেওয়ার জন্য এপ্লাই করবেন তখন অবশ্যই শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সকল বোর্ড থেকে সত্যায়িত করে নিতে হবে আপনার সার্টিফিকেটগুলো আপনার সার্টিফিকেটগুলো। এটি আপনাকে করতে একদিন সময় লাগবে যা সকালে জমা দিলে বিকেলে পেয়ে যাবেন।

বিজনেস ভিসার জন্য আবেদন

আপনি যদি দক্ষিণ কোরিয়ায় ব্যবসার জন্য আসেন তাহলে অবশ্যই বিজনেস বিষয়ে আসতে হবে। আর এর জন্য যা যা লাগবে তা নিম্নে বর্ণনা করা হলোঃ

  • পূরণকৃত কোম্পানির ব্যবসা
  • রেজিস্ট্রেশন সার্টিফিকেট
  • কুরিয়ার ট্যাক্স অফিস থেকে ইস্যু করা সার্টিফিকেট
  • আমন্ত্রণ কোম্পানির আমন্ত্রণপত্র
  • আমন্ত্রণ কোম্পানির সাথে ব্যবসায়িক সম্পর্ক কি
  • আমন্ত্রিত কোম্পানির অফিসিয়াল প্যাড এ রেকুয়েস্ট লেটার
  • আমন্ত্রিত কোম্পানির সার্টিফিকেট ট্রেড লাইসেন্স
  • আমন্ত্রণ কোম্পানির ইনকাম ট্যাক্স সার্টিফিকেট
  • আমন্ত্রণ কোম্পানির ব্যাংক স্টেটমেন্ট
  • আমন্ত্রিত ব্যক্তির ব্যাংক স্টেটমেন্ট

আজকে এ পর্যন্তই থাকবো, সামনে কোন পোস্টে আপনাকে বলা হবে কিভাবে আপনি দক্ষিণ কোরিয়ায় আসবেন এগুলো নিয়ম।

 

পরিশেষে যা বলব

বর্তমান বিশ্বে প্রযুক্তি নির্ভরশীল আর বেশিরভাগ প্রযুক্তি আশুলিয়া থেকে পৃথিবী কে কুরিয়া কে প্রযুক্তি রাজা বলা হয়। প্রযুক্তির রাজার দেশে একটা চাকরি পাওয়া মানে অনেক বিশাল ব্যাপার। এবং কোরিয়া খুব সুন্দর ভাবে তাদের দেশে ভাল মানের চাকরি দিয়ে থাকে। এগুলো ভাষার উপর নির্ভর করে বেশি। আপনি যদি কোরিয়ান ভাষা ঠিকমত বলতে পারেন তাহলে আপনার চাকরির জন্য অনেক শিথিল লাভ হয়।

লেখাটি আপনার কাছে কেমন লেগেছে, অনুগ্রহ করে সে অনুযায়ী ভোট দিন

ভোট দিতে স্টার বাটনে চাপুন

We are sorry that this post was not useful for you!

Let us improve this post!

Tell us how we can improve this post?

পোস্টটি ভাল লাগলে শেয়ার করুন

Leave a Comment