পূঁজি ছাড়াই ১৫ টি অনলাইন ব্যবসার সকল আইডিয়া জানুন।

0
(0)

বর্তমানের যুগ হল ইন্টারনেট এর যুগ। আর এই এন্টারনেকে পূঁজি করে অনলাইনে ব্যবসা করে মাসে লক্ষ লক্ষ টাকা আয় করতে পারেন। শুধুমাত্র এর জন্য আপনার দরকার হবে একটু দক্ষ ও ইন্টারনেট এ পারদর্শী। অনেক ভাই ও বোনেরা পড়ালেখা কম্পিলেট করে বেকার বসে আছেন! ব্যবসা করতেও পারছেন না পূঁজির অভাবে। তাদের জন্য এই আর্টিক্যালটা খুবেই গুরুত্বপূর্ণ। এরজন্য দরকার শুধুমাত্র একটি কম্পিডিটার ও ইন্টানেট সংযোগ। চলুন দেখে নেওয়া যাক পূঁজি ছাড়া অনলাইনে ইনকাম করার সকল আইডিয়া। যেখান থেকে আপনি মাসে লক্ষ লক্ষ টাকা আয় করতে পারবেন।

 ই-কমার্স ওয়েবসাইট তৈরি

আপনি একটি ই-কমার্স ওয়েবসাইট খুলে আয় করতে পারেন। এরজন্য দরকার হবে ডমেইন হোস্টিং ও ভাল ডিজাইন। আপনি অফলাইন থেকে আপনার পাশের দোকানের প্রডাক্টগুলো আপলোড করে তা অনলাইন ই-কমার্স ওয়েবসাইট থেকে বিক্রি করতে পারেন

অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং

আপনি অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করে আয় করতে পারেন। এরজন্য আপনাকে অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং এর বিষদ জ্ঞান রাখতে হবে। অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং হলো এমন একটি কাজ যেটি অন্যদের প্রডাক্ট বিক্রি করে কমিশন পাবেন। এর জন্য আপনাকে ভাল অনলাইনে মার্কেটিং করে তাদের প্রডাক্ট বিক্রি করতে হবে। অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করে অনেকেই মাসে লক্ষ লক্ষ টাকা আয় করতেছে।

প্রফেশনাল ফ্রিল্যান্সিং করে আয়

আপনি হতে পারেন একজন দক্ষ ও প্রফেশনাল ফ্রিল্যান্সার। আপনি এই পেশাটাকে পূঁজি করেই মাসে লক্ষ লক্ষ টাকা আয় করতে পারবেন। ইতিমধ্যে হয়তো আপনি আশে পাশের অনেক ফ্রিল্যান্সার থেকে প্রমাণ পেয়েছেন। আর প্রফেশনাল ফ্রিল্যান্সার হতে গেলে আপনাকে ফ্রিল্যান্সার সাইট বা ফাইবার সাইট সহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ফ্রিল্যান্সিং সাইট এ একাউন্ট করতে হবে। এখানে আপনি হাজার হাজার কাজ পাবেন।

 ওয়ার্ড অব মাউথ

ওয়ার্ড অব মাউথ থেকে মাসে হাজার হাজার টাকা আয় করতে পারবেন। এটা এমন একটা কোম্পানি যারা কিনা তাদের প্রডাক্টগুলোর প্রমোট করার জন্য আপনাকে পয়সা দিয়ে দিবে। এর জন্য আপনাকে অনলাইনে দক্ষ মার্কেটিং করতে হবে। আপনি যত দক্ষতায় কাজ করবেন আপনার ততবেশি ইনকাম হবে। আজ থেকেই ওয়ার্ড অব মাউথ বা এই ধরনের কোম্পানির সাথে কাজে লেগে যেতে পারেন। বিনা পূঁজির ব্যবসায় এর থেকে ভাল উপায় আর কি বা আছে বলুন!

ফেসবুক থেকে আয়

আপনি অলস ও বেকার সময়ে দিনরাত ফেসবুকে লেগে আছেন। কিন্তুু আপনার মেধাকে একটু ঘুরান, দেখবেন এই ফেসবুক থেকেই অনেক আয় করতে পারবেন। আপনি পেজ তৈরি করুন, গ্রুপ তৈরি করুন অথবা ইভেন্ট তৈরি করে বিভিন্ন প্রডাক্ট বিক্রি ও প্রডাক্ট প্রমোট করে আয় করুন। খামাখা লাইক কমেন্ট করে সময় নষ্ট না করে এসব তৈরি করে পপুলারিটি বানিয়ে আয় করতে শিখুন। এর পর আপনার ফেসবুুক থেকে আয় করুন সহজেই।

গ্রাফিক্স ডিজাইন করে আয়

আপনি যদি গ্রাফিক্স ডিজাইন করতে পারদর্শি হন তাহলে আজ থেকেই এটাতে নেমে পড়তে পারেন। গ্রাফিক্স ডিজাইন করে শুধু অলাইনে আয় করতে পারবেন না। আপরি গ্রাফিক ডিজাইন করে অফলাইনেও আয় করতে পারবেন। এর জন্য আপনাকে আনকমন গ্রাফিক্স ডিজাইনার হতে হবে। আপনি অন্যদের বা কোম্পানির লোগো ডিজাইন, ব্যানার ডিজাইন সহ বিভিন্ন ডিজাইন করে আয় করতে পারবেন। তো নেমে পড়তে পারেন চিন্তা ছাড়াই।

রিজুমি লিখুন CV Making

আপনি সিভি তৈরি করতে পারেন। রিজুমি লিখে নেওয়া চাহিদা বর্তমানে অনেক। কারন সবাই সব কাজ পারে না। অনেকেই অনার্স মাষ্টার্স কমপ্লিয়েড করেও একটি ভাল সিভি তৈরি করতে পারে না। আবার দেখবেন চাকুরি হওয়ার জন্য রিজুমি Cv এর গুরত্ব অনেক বেশি। নিশ্চয়ই ইন্টারভিউ হওয়ার আগে সকল কোম্পানি সবার আগে সিভি দেখে, যাদের সিভির সব কিছু ভাল পায় তারাই ইন্টারভিউয়ের জন্য ডাক পায়। তাই সবার চাহিদা এখন রিজুমি এর উপর। আপনি যদি সুন্দর সুন্দর বচন জানেন তাহলে Cv Writing এর কাজ করতে পারেন। এর জন্য আপনি অনলাইনে মার্কেটিং করে শুরু করতে পারেন। অফলাইনেও অনেক সারা পাবেন। এখান থেকেই আপনি অনেক আয় করতে পারবেন।

 ই-বুক রাইটার

বর্তমানে ই-বুক রাইটারদের অনেক কদর। কারন মার্কেট থেকে শুরু করে অনেক বড় বড় কোম্পানির জন্য ই-বুক রাইটারদের দরকার হয়। তাই ই-বুক রাইটারের চাহিদা সব সময় থাকে। আর দিন দিন তো বাড়ছেই ই-বুক রাইটারের চাহিদা। এখন অনেক পাবলিকেশন্স কোম্পানিগগুলো ই-বুক রাইটার থেকে কাজ করিয়ে নেয়। আপনার যদি রাইটিং করার খুবই দক্ষ ও কম্পিউটারে টাইপিং করার দক্ষতা ও হাতের স্পিড বেশি থাকে তাহলে নেমে পড়তে পারেন এখনেই।

ভার্সুয়াল চালান তৈরি

এখন ইন্টারনেটের যুগ ভার্সুয়াল জিনিসটা বা ভার্সুয়াল শব্দটা শুনে অবাক হওয়ার কিছু নেই। আপনি এই ভার্সুয়াল চালান তৈরি করে অনেক টাকা আয় করতে পারবেন। এর জন্য দরকার হবে একটি ওয়েবসাই বা একটি এব্স। যেখানে আপনি গুগল চেকআউট Goole Chackout ট্রানজেকশন তৈরি করে ভার্সুয়াল চালান বানিয়ে নিন। এর পর পণ্যের বিবরন দিয়ে রাখুন আপনি যেসব অনলাইন ব্যবসায়ি এর সেবা দিবেন। তাদের সাথে চুক্তি করে আপনি ভার্সুয়াল চালান অর্গানাইজেশন করে আয় করতে থাকুন।

আ্যাপ ডেপলোপার থেকে আয়

আপনি যদি HTML. Java. CSs কোডিংগুলোতে পারদর্শিতা হয়ে থাকেন তাহলে আপনি একজন মহা ভাগ্যবান ব্যক্তি। এগুলোর মাধ্যমে আপনি আ্যাপ ডেপলোপার হয়ে যাবেন। বর্তমান বিশ্বে আ্যাপ ডেপলোপার এর চাহিদা অনেক। অনেকেই তাদের কোম্পানি, ব্যবসা সহ সব কিছুই কাজগ কলম থেকে বিদায় নিয়ে আ্যাপ এ চলে আসতেছে। আপনি আ্যাপ ডেপলোপার হয়ে ফ্রিল্যান্সিং মার্কেট এ কাজ পাবেন, অফলাইনেও কাজ পাবেন এছাড়া অনেক বড় বড় কোম্পানির সাথে চুক্তিবদ্ধ হয়ে কাজ করতে পারবেন। আর আ্যাপ ডেপলোপার হলে চাকুরিকে আপনাকে খুজতে হবে না। চাকুরি আপনাকে খুজবে। আমার ধারনা অনুযায়ী একটা পরামর্শ দিতে পারি তা হল_ কাজ পান বা না পান, আ্যাপ ডেপলোপিং এর কাজ শিখুন কোন একদিকে সফল হবেন।

টাস্ক ম্যানেজার/সহকারী

আপনার যদি ভাল অর্গানাইজিং দক্ষতা থাকে তবে আপনি এই ব্যবসার উপযুক্ত। আপনি কি অনলাইনের বিভিন্ন সমস্যার দ্রুত সমাধান দিতে পারেন? তবে আপনার এই দক্ষতা একজন ব্যাক্তিগত সহকারি কিংবা অনলাইন টাস্ক ম্যানেজার হিসেবে কাজে লাগাতে পারেন। টাক্স রাব্বিট কিংবা জারতুয়াল এর মত কোম্পানীগুলো টাকার বিনিময়ে আপনার মত মানুষকেই খুঁজে থাকে। এসব সাইটে আপনি ডাটা রিসার্চ, ভার্চুয়াল অ্যাসিস্টেন্ট সহ বিভিন্ন কাজে সহকারীর দায়িত্ব পালন করতে পারেন। পূঁজি ছাড়া আয় করার জন্য উত্তম মাধ্যম এটি।

সোশ্যাল মিডিয়া পরামর্শক

একটি কথা চিন্তা করুন, সমাজের আইনের জন্য রয়েছে পরামর্শ বা উকিল। আপনার যদি কোন ধরনের রোগ হয় তার জন্য রয়েছে ডাক্তার। এখন অনলাইনের যুগ তাই প্রায় সবাই অনলাইনে বেশিরভাগ সময় ব্যায় করে। ফেসবুক, ইউটিউব, গুগল, সহ বেশ কিছু স্যোসাল মিডিয়ার মাধ্যমে। অনেক সময় দেখতে পান এসব একাউন্ট হ্যাক বা পাইরেসির শিকার হচ্ছে এছাড়া সবাই সব রকম স্যোসাল মিডিয়ার সব পলিসি জানা থাকে না। ত্ই আপনি অনলাইন ডাক্তার হতে পারেন। এসব কিছু পরামর্শক হতে পারেন এবং অন্যদের একাউন্ট হ্যাক থেকে বাচিয়ে দিতে পারেন। এসব কাজে আপনি যেমন সম্মানীত হবেন ঠিক তেমনি আয় করতে পারবেন।

বিজনেস প্রশিক্ষণ করে আয়

আপনার অনেকদিনের স্বপ্ন যে আপনি একজন পরামর্শক হবেন। আপনার পরামর্শ অনুযায়ী অনেকেই ভালমত চলবে। একদিন আপনি সেই পরামর্শক হিসেবে একটি কোম্পানি খুলে বসবেন কিন্তু টাকার অভাবে হচ্ছে না। চিন্তার কোন কারন নেই আপনি অনলাইনের মাধ্যমে তা করতে পারবেন। আপনি স্যোসাল মিডিয়াতে বিভিন্ন পন্থায় অন্যদের পরামর্শক হিসেবে কাজ করে আয় করতে পারেন। একদিন এখান থেকেই অফলাইনে বড় পরামর্শক কোম্পানি খুলে দিতে পারবেন।

ইমেইল মার্কেটিং করে আয়

আপনি আর একটি কাজ দক্ষতার সহিত করে আয় করতে পারবেন। সেটি হলো আপনি ইমেইল মার্কেটিং করে আয় করবেন। অনেক কোম্পানি তাদের প্রডাক্ট বিক্রি করার জন্য ইমেইল মার্কেটিং করে থাকে। আপনি ইন্টারনেটের সাহায্যে সঠিক মেইলগুলো সংগ্রহ করুন আর তা দিয়ে সেইসব কোম্পানির প্রডাক্টগুলো প্রমোট করতে থাকুন। দেখবেন আপনি শুধু ইমেইল মার্কেটিং করে মাসে হাজার হাজার টাকা আয় করতে পারবেন।

চ্যাটবট এজেন্সি তৈরি করে আয়

বর্তমানে আপনি আছেন মধ্যযুগীয় যুগে আর এই যুগে ইন্টারনেট এ সব কিছু বিক্রি ও সাপোর্ট বা সেবা দিয়ে যাচ্ছে। আর এই সময়টিকে কাজে লাগিয়ে চ্যাটবট এজেন্সির মাধ্যমে আয় করতে থাকুন। অনেক কোম্পানি বা সেবা দান প্রতিষ্ঠান অনলাইনে তাদের কাস্টমার সাপোর্ট দিয়ে থাকে। তাদের এতবেশি কাস্টমার যে তারা নিজের অফিসে বসে সেবা দিতে পারে না। তাই তারা কোন চ্যাটবট এজেন্সির উপর নির্ভর করে। আপনি চ্যাটবট সমন্ধে সব ধারনা নিয়ে লেগে যেতে পারেন।

উল্ল্যেখিত ব্যবসাগুলো আপনাকে অনলাইনে ছোট পূঁজি বা অল্প পূঁজিতে করতে পারেন। এছাড়াও অনলাইনে হাজার হাজার মাধ্যমে আয় করার সুযোগ রয়েছে। এগুলো কাজ করতে কোন নারি বা পুরুষের পার্থক্য নেই। আপনি ঘরে বসেই ব্যবসা করতে পারেন। উপরক্ত কাজগুলো সবেই ফ্রিল্যান্সিং এর আওতায় পরে। আপনি আজ থেকেই নেমে যেতে পারেন, যে কাজগুলোয় আপনি বেশি পারদর্শী। আর বরাবরের মত এবারেও বলছি আপনার যদি কোন পরামর্শ বা জানার থাকে তাহলে কমেন্ট করে বলবেন। ধন্যবাদ।

লেখাটি আপনার কাছে কেমন লেগেছে, অনুগ্রহ করে সে অনুযায়ী ভোট দিন

ভোট দিতে স্টার বাটনে চাপুন

We are sorry that this post was not useful for you!

Let us improve this post!

Tell us how we can improve this post?

পোস্টটি ভাল লাগলে শেয়ার করুন

Leave a Comment